ব্রিটিশ সাহিত্যিক ও সমালোচক জি কে চেস্টারটনের ধ্রুপদি গোয়েন্দা চরিত্র ফাদার ব্রাউনকে আদ্যোপান্ত বাঙালি মোড়কে পরিবেশন করার দুঃসাহস দেখিয়েছেন মাত্র একজনই— শব্দের জাদুকর অদ্রীশ বর্ধন। ফাদার ব্রাউন তাঁর হাত ধরেই হয়ে উঠেছে ফাদার ঘনশ্যাম। বহিরাঙ্গ বদলালেও কাহিনির বুনোটে এই পরিবর্তনের আঁচ একটুও লাগতে দেননি অদ্রীশবাবু। চেস্টারটনের সুস্বাদু ও রোমহর্ষক কাহিনি তরতরিয়ে এগিয়ে গিয়েছে অদ্রীশ বর্ধনের মায়াময় ভাব ও ভাষায় ভর করে। ফাদার ঘনশ্যামের সব ক-টি কাহিনি একসঙ্গে দু-মলাটে বন্দি হয়ে প্রকাশ পেল এই প্রথম!
অদ্রীশ বর্ধন
জন্ম ১লা ডিসেম্বর ১৯৩২, কলকাতায়। একটি প্রাচীন শিক্ষাব্রতী পরিবারে। ছোট থেকেই অজানার দিকে দুর্নিবার আকর্ষণ। অ্যাডভেঞ্চারের টান জীবনে, চাকরিতে, ব্যবসায়, সাহিত্যে। নামী একটি প্রতিষ্ঠানের পারচেজ ম্যানেজার পদে ইস্তফা দিয়ে পুরোপুরি চলে আসেন লেখার জগতে। গোয়েন্দা সাহিত্যে একনিষ্ঠ থেকে বাংলায় সায়েন্স ফিকশনকে ত্রিমুখী পন্থায় জনপ্রিয় করতে শুরু করেন ১৯৬৩ সাল থেকে। ভারতের প্রথম কল্পবিজ্ঞান পত্রিকা ‘আশ্চর্য!’-র ছদ্মনামী সম্পাদক। এছাড়াও সম্পাদনা করেছেন ‘ফ্যানট্যাসটিক’। ইন্দ্রনাথ রুদ্র, ফাদার ঘনশ্যাম, প্রোফেসর নাটবল্টু চক্র প্রমুখ চরিত্রের স্রস্টা। পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার। দীনেশ্চন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার, মৌমাছি স্মৃতি, রণজিৎ স্মৃতি ও পরপর দু’বছর দক্ষিণীবার্তার শ্রেষ্ঠ গল্প পুরস্কার। অনুবাদের ক্ষেত্রে সুধীন্দ্রনাথ রাহা পুরস্কার। ভালোবাসতেন লিখতে, পড়তে ও বেড়াতে। ২১ মে ২০১৯ সালে তিনি প্রয়াত হন।
Reviews
There are no reviews yet.
Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.