বিধাতা কি আজব সৃষ্টিই না বানিয়ে রেখেছেন সবুজ সুন্দর এই পৃথিবীতে! কদাকার! বিকট! রোমাঞ্চকর!—মনে মনে বলেছিল ভিনগ্রহী—বয়স যার এক কোটি বছর! যাকে দেখে আঁতকে উঠবে পৃথিবীর যে কোনো মানুষ! কিন্তু কী আশ্চর্য! পৃথিবীরই ছেলেমেয়েরা ভালবাসল তাঁকে… তারপর যা ঘটল তা রুদ্ধশ্বাসে পড়ে যাওয়ার মতোই কাণ্ডকারখানা! বহু আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশ্ববিখ্যাত ছায়াছবি কাহিনি! ই.টি.আসছে অদ্রীশ বর্ধনের কলমে। বইতে রয়েছে ফ্যান্টাসটিক-এর অরিজিনাল ইন্দ্রনীল ঘোষ-এর অলংকরণ।
অদ্রীশ বর্ধন
জন্ম ১লা ডিসেম্বর ১৯৩২, কলকাতায়। একটি প্রাচীন শিক্ষাব্রতী পরিবারে। ছোট থেকেই অজানার দিকে দুর্নিবার আকর্ষণ। অ্যাডভেঞ্চারের টান জীবনে, চাকরিতে, ব্যবসায়, সাহিত্যে। নামী একটি প্রতিষ্ঠানের পারচেজ ম্যানেজার পদে ইস্তফা দিয়ে পুরোপুরি চলে আসেন লেখার জগতে। গোয়েন্দা সাহিত্যে একনিষ্ঠ থেকে বাংলায় সায়েন্স ফিকশনকে ত্রিমুখী পন্থায় জনপ্রিয় করতে শুরু করেন ১৯৬৩ সাল থেকে। ভারতের প্রথম কল্পবিজ্ঞান পত্রিকা ‘আশ্চর্য!’-র ছদ্মনামী সম্পাদক। এছাড়াও সম্পাদনা করেছেন ‘ফ্যানট্যাসটিক’। ইন্দ্রনাথ রুদ্র, ফাদার ঘনশ্যাম, প্রোফেসর নাটবল্টু চক্র প্রমুখ চরিত্রের স্রস্টা। পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার। দীনেশ্চন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার, মৌমাছি স্মৃতি, রণজিৎ স্মৃতি ও পরপর দু’বছর দক্ষিণীবার্তার শ্রেষ্ঠ গল্প পুরস্কার। অনুবাদের ক্ষেত্রে সুধীন্দ্রনাথ রাহা পুরস্কার। ভালোবাসতেন লিখতে, পড়তে ও বেড়াতে। ২১ মে ২০১৯ সালে তিনি প্রয়াত হন।
Your review is awaiting approval
A thrilling read. Story of the blockbuster film E. T. – The Extra Terrestrial in Bengali language with very good illustrations.